ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক ও সুপারস্টার শাকিব খানকে নিয়ে নতুন সিনেমা নির্মাণ করছেন হিমেল আশরাফ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিনেমাটির টাইটেল এনাউন্সমেন্টের পাশাপাশি প্রকাশ করা হয়েছে প্রথম পোস্টার। পোস্টারের ওপরে লাল অক্ষরে লেখা রয়েছে সিনেমার নাম ‘মহব্বত’।
পোস্টারে দেখা যায়, কালো পোশাকে এক পুরুষের সঙ্গে সাদা পোশাকে এক নারী। পুরুষের হাতে রয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, পরনে কালো লম্বা কোট। অন্যদিকে সাদা পোশাক পরা নারীটির সঙ্গে উড়ছে লাল ওড়না। পোস্টারের চারপাশে ছড়িয়ে আছে গুলির খোসা ও রক্তের ছাপ। এক পাশে দেখা গেছে রক্তমাখা একটি গাড়ির অংশ । সব মিলিয়ে ‘মহব্বত’-এর প্রথম পোস্টারে ভালোবাসার পাশাপাশি অ্যাকশন ও রহস্যের আবহ ফুটে উঠেছে।
পোস্টারে থাকা নারী চরিত্রটি কে, তা এখনো জানানো হয়নি। সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে কে অভিনয় করবেন, সেটিও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে নায়িকা নিয়ে রহস্য আপাতত থাকছেই।
গত কয়েক বছরে শাকিব খানকে অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে বেশি দেখা গেছে। ‘তুফান’, ‘তাণ্ডব’, ‘বরবাদ’ ও ‘প্রিন্স’-এ ভিন্ন ভিন্ন অ্যাকশন অবতারে পর্দায় হাজির হয়েছেন তিনি। সর্বশেষ কোরবানির ঈদে ‘রকস্টার’ সিনেমায় গায়ক চরিত্রেও দর্শকদের সামনে এসেছেন এই অভিনেতা। এবার ‘মহব্বত’-এ প্রেম ও অ্যাকশনের মিশেলে নতুনভাবে দেখা যাবে তাকে।
‘মহব্বত’ প্রযোজনা করছেন আরশাদ আদনান। দুই বছরেরও বেশি সময় পর হিমেল আশরাফ ও আরশাদ আদনানের সিনেমায় ফিরছেন শাকিব খান। এর আগে এই জুটির ‘প্রিয়তমা’ দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছিল। ‘মহব্বত’ দিয়ে তাদের নতুন কাজ নিয়ে এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে আগ্রহ।
সিনেমাটির নাম ঘোষণা ও পোস্টার প্রকাশ করে নির্মাতা হিমেল আশরাফ লিখেছেন, ‘কখনো কখনো ভালোবাসার জন্য মূল্য চোকাতে হয়; কখনো এটি প্রতিজ্ঞা আর কখনো এক লড়াই। ‘মহব্বত’, এক নতুন গল্পের নতুন যাত্রার শুরু।’
নামের সঙ্গে সিনেমাটির মুক্তির সময়ও জানানো হয়েছে। আগামী বছরের ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘মহব্বত’।
বিনোদন
ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।